19%

ছাড়

Visiting Card

৳800 ৳650

0.00/5 See Reviews

প্রোডাক্ট কোড : P0256

Product Type: Physical

Brand : N/A

- +
ঢাকার ভিতরে ৭০ টাকা
ঢাকার বাহিরে ১২০ টাকা

বিস্তারিত

​ভিজিটিং কার্ডের আকার সাধারণত দেশভেদে ভিন্ন হয়, তবে আন্তর্জাতিকভাবে সর্বাধিক ব্যবহৃত সাইজগুলো হলো:

  • আউটপুট সাইজ: ৩.৫ ইঞ্চি × ২ ইঞ্চি (88.9 mm × 50.8 mm)।
  • ব্লিড এরিয়া (Bleed): কাটিংয়ের নিরাপত্তার জন্য ডিজাইনের সময় চারপাশে ০.২৫ ইঞ্চি বাড়তি জায়গা রাখা হয় (৩.৭৫ × ২.২৫ ইঞ্চি)।
  • রেজোলিউশন: প্রিন্টিংয়ের জন্য অবশ্যই 300 DPI এবং CMYK কালার মোড ব্যবহার করা উচিত।

​২. একটি কার্ডে যা থাকা জরুরি

​একটি কার্যকর ভিজিটিং কার্ডে নিচের তথ্যগুলো স্পষ্টভাবে থাকা প্রয়োজন:

  • লোগো: ব্যবসার মূল পরিচিতি।
  • নাম ও পদবী: ব্যক্তির নাম এবং তিনি প্রতিষ্ঠানে কী দায়িত্বে আছেন।
  • যোগাযোগের নম্বর: অন্তত একটি বা দুটি সচল মোবাইল নম্বর।
  • ঠিকানা: অফিস বা দোকানের সঠিক অবস্থান।
  • অনলাইন উপস্থিতি: ইমেইল এড্রেস, ওয়েবসাইট এবং সোশ্যাল মিডিয়া কিউআর কোড (QR Code)।

​৩. ডিজাইনের ধরন (Design Variations)

​ব্যবহৃত ম্যাটেরিয়াল এবং ফিনিশিংয়ের ওপর ভিত্তি করে কার্ড কয়েক ধরনের হয়:

  • ম্যাট ল্যামিনেশন: এটি বেশ মার্জিত এবং চকচকে ভাব কম থাকে।
  • গ্লসি (Glossy): উজ্জ্বল এবং চকচকে ফিনিশিং।
  • স্পট ইউভি (Spot UV): কার্ডের নির্দিষ্ট কিছু অংশ (যেমন লোগো) শুধু চকচকে করা হয়, যা কার্ডকে প্রিমিয়াম লুক দেয়।
  • এম্বোস (Emboss): লেখার অংশটি হালকা উঁচু বা খোদাই করা থাকে।
  • রাউন্ড কর্নার: কার্ডের চার কোণা গোল করে কাটা থাকে।

​৪. ডিজাইনের কিছু প্রো-টিপস

  • ফন্ট সিলেকশন: ফন্ট যেন খুব ছোট না হয় (ন্যূনতম ৮ পয়েন্ট)। পড়ার সুবিধার জন্য পরিষ্কার ফন্ট ব্যবহার করুন।
  • সাদা জায়গার ব্যবহার (White Space): কার্ডে গাদাগাদি করে তথ্য দেবেন না। খালি জায়গা থাকলে ডিজাইনটি দেখতে সুন্দর লাগে।
  • ব্র্যান্ড কালার: আপনার প্রতিষ্ঠানের লোগোর রঙের সাথে মিল রেখে ব্যাকগ্রাউন্ড এবং টেক্সট কালার নির্বাচন করুন।
  • কিউআর কোড (QR Code): আধুনিক কার্ডে কিউআর কোড যুক্ত করলে গ্রাহক সহজেই আপনার ওয়েবসাইট বা গুগল ম্যাপ লোকেশন স্ক্যান করতে পারে।

Customer Reviews (0)

This product has no reviews yet.
Be the first one to write a review.